This is error testing post, generated from 8-7-2025.
Tuesday, July 8, 2025
Friday, January 26, 2024
হাত কড়া
(গৃহপরিচারিকা নির্যাতন বিষয়ক নাটিকা)
বীথি: এই জানোয়ারের বাচ্চা, তুই এ কী করলি? আমার দামী গ্লাসটা ভেঙ্গে ফেললি। তোরে আজ মেরেই ফেলবো।
সাহেদ সাহেব: হ্যাঁ, ভাই। আপনি ভিতোরে যান। ভাবীবে বোঝান। পরিস্থিতি সামাল দেন।
(একটু পরে সালাম সাহেব ফিরে আসবে। মারার শব্দও কমে যাবে।)
সালাম সাহেব: আমি যারপর নাই দুঃখিত, সাহেদ ভাই। আপনার ভাবী মাঝে একটু মাত্রাতিরিক্ত করে ফেলে, ভাই।
সাহেদে সাহেব: মেয়েটি কিন্তু খুব একটা অন্যায় করেনি। বড় মানুষের হাত থেকেও তো গ্লাসটা পড়ে ভেঙ্গে যেতে পারতো! তাছাড়া ও তো একনো শিশু।
সালাম সাহেব: আমি খুব লজ্জিত, ভাই।
সাহেদ ভাই: সালাম ভাই, ভাবীবে কিন্তু বোঝাতে হবে। উনি কিন্তু ভুল করে যাচ্ছেন। একটা বড় বিপদে পড়তে পারেন আপনারা। আমি কিন্তু আইনের লোক, আপনাদের সাবধান করে যাচ্ছি। আইন কিন্তু আপনাদের বিপক্ষে যাবে।
সালাম সাহেব: এসব বুছেই তো আপনার ভাবীকে অনবরত বুঝিয়ে যাচ্ছি।
সাহেদ সাহেব: সালাম ভাই, এবার বিদায় চাচ্ছি। আজ আর বসতে পারছি না। আমার একটু তাড়া আছে। অন্য একটি আবার আসবো।
সালাম সাহেব: অবশ্যই আসবেন। ভাবীকে সাথে নিয়ে আসবেন। আর শরীরের প্রতি যত্ন নিবেন, ভাই।
সাহেদ সাহেব: ঠিক আছে। আল্লাহ হাফেজ।
(সালাম সাহেব দরোজা লাগিয়ে রান্না ঘরে প্রবেশ করবেন। রান্নাঘরের মেঝেতে শুয়ে রোজি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকবে। ওর ক্ষতস্থানে মলম লাগিয়ে দিয়ে তিনি বীথির ঘরে যাবেন এবং গলার স্বর মোটা করে তিনি বীথিকে বলবেন...)
কাজটা তুমি মোটেই ভালো করোনি, বীথি। ভদ্রতা এবং আইনের সীমা দুটোই তুমি লঙ্ঘন করেছো। আমি ওকে আগামী সপ্তাহে বাড়ীতে রেখে আসবো। ওর গায়ে যেন আর হাত দেওয়া না হয়। আমি কলেজে চলে যাচ্ছি। এবারের মতো সহ্য করলাম।
(সালাম সাহেব ল্যাপটপের ব্যাগ নিয়ে দ্রুত বের হয়ে যাবেন। কিছুক্ষণ পর বীখি বেড রুম থেকে রান্না ঘরে প্রবেশ করবে।)
বীথি: এই ফকিরের বাচ্চা আমাকে অপমান করে তুই এখনো শয়ে আছিস? থালা বাসন ধোঁবে কে? বাথরুমে একগাদা কাপড়-চোপড় ভেজানো সেগুরো ধোঁবে কে?
রোজি: আমার অনেক লাগছে খালাম্মা। গতরডা ব্যথা করতাছে।আমি তো হাত নাড়াতে পারছি না।খালাম্মা, হু হু হু ...
বীথি: কী বললি! তোর এতো বড় সাহস! এতোগুলো থালা-বাসন, কাপড়-চোপড় ধোঁবে তোর ভাতার? বান্দির বাচ্চা... তোকে দেখাচ্ছি মজা।
(রোজিকে উপুরযুপরি থাপ্পড়, লাথি মারতে থাকবে সে। এক পর্যায়ে রুটিবলা বেলন দিয়ে পিঠে ও ঘাঁড়ে মারতে থাকবে। আঘাত সহ্য করতে না পেরে ঘর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে যাবে িএবং দৌড়াদে থাকবে রোজি...)
বীথি: (ঘরের ভিতর থেকে) কে?
ফাতিমা নূর: থানা থেকে আসছি । দরোজা খোলেন।
বীথি: (দরোজা খুলে বলবে) আপনারা কাকে চান?
ফাতিমা নূর: এটা কি সালাম সাহেবের বাসা?
বীথি: জীঁ,হ্যাঁ। কিন্তু কী হয়েছে?
ফাতিমা নূর: আপনি কি তার স্ত্রী?
বীথি: জীঁ, হ্যাঁ। কিন্তু কেন?
ফাতিমা নূর: আপনার স্বমী কোথায়? উনাকে ডাকেন।
(বীথি তার স্বমীকে ফোন করে বাসায় আসতে বলবেন। সালাম সাহেব দ্রুত হন্তদন্ত হয়ে বাসায় ঢুকবেন। ঘরের ভিতোরে পুলিশের লোকজন দেখে অবাক হয়ে তিনি প্রশ্ন করবেন..)
সালাম সাহেব: কী হয়েছে অফিসার?
ফাতিমা নূর: আপনার দাজ্জাল স্ত্রী একটি তেরো বছরের বাচ্চাকে নির্দয়ভাবে প্রহার করেছেন। এমনিতেই তাকে দিয়ে আপনারা শিশুশ্রম করেছেন! তারপর আপনার স্ত্রী আধমরা করে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন।মেয়েটি এলাকার পথঘাট কিছুিই চেনে না। মহল্লার রোকজনের সহযোগিতায় সে এখন আমাদের হেফাজতে আছে।
সালাম সাহেব: আমি আমার স্ত্রীর জন্য ক্ষমা চাচ্ছি, অফিসার। আমাদেরকে এবারের মতো ক্ষমা করে দেন।
ফাতিমা নূর: আপনার ক্ষমা চাইতে হবে না। আপনি মেয়েটিকে আগে হাসপাতালে ভর্তি করে সুস্থ করে তুলবেন। তারপর তাকে তার বাবার হাতে গ্রামের বাড়িতে রেখে আসবেন।
সালাম সাহেব: ঠিক আছে , অফিসার। আমি তাকে সুস্থ করে তার বাবার হাতে পৌঁছে দেবো।
ফাতিমা নূর: আর আপনার বেগম সাহেবা মারাত্মকভাবে আইন ভঙ্গ করেছেন। মেয়েটিকে মারধর করেছেন। শিশুশ্রম নিরোধ আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ভঙ্গ করায় আমরা তাকে গ্রেফতার করলাম। কনস্টাবল।
ফাতিমা নূর: মহিলাকে হাতকড়া পরাও এবং তানায় নিয়ে চলো।
কনস্টাবল: ইয়েস স্যার। (কনস্টাবল বীথিকে হাতকড়া পরাবে)
সালাম সাহেব: আমার স্ত্রীকে ছেড়ে দিন প্লিজ। প্লিজ অফিসার। এখন থেকে আমি আমার স্ত্রীর দায়িত্ব নিবো।
ফাতিমা নূর: রাখেন আপনার স্ত্রীর কথা। আপনি শিক্ষক মানুষ। আগে সমাজের দায়িত্ব নেন। সমাজের কথা ভাবেন। শিশুশ্রম ও শিশু নির্যাতন বন্ধে মনুষকে সচেতন করে তোলেন। সমাজের চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দেন আইন ভঙ্গ করলে তার শাস্তি আপনার দাজ্জাল স্ত্রীর মতোই হবে।
(বীথিকে নিয়ে পুলিশ গাড়িতে উঠবে। সালাম সাহেব চলন্ত গাড়রি দিকে নির্বাক চোখে তাকিয়ে থাকবে)
সমাপ্ত
-
চেতনায় কাজী নজরুল ইমরুল কায়েস হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর, মানুষের মননে মননে বিদ্রোহের ঝঙ্কার তুলে কাঁপিয়ে দিয়েছিল যে আলোক বিচ্ছুরিত ক্ষণজন্...
-
A Strange Wandering I M R U L K A Y E S Once in a fine shiny afternoon I was wandering on the Cemetery Road All on a sudden, I...
-
ইমরুল কায়েস Biography of Poet Imrul Kayes Imrul Kayes was born on 1 st January 1979 at Magura in the parental care of Md. Sirazul Islam ...
